• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

ভোলায় পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষে নিহত ১

নিহতভোলা: সদর উপজেলার রাজাপুর ইউপি নির্বাচন ও আসামি ধরাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে নোমান নামে একজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৫ জন। বৃহস্পতিবার রাতে রাজাপুরের জনতাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতা রাস্তায় গাছ ফেলে ব্যারিকেট দেয়ায় ঘটনাস্থলে যাওয়া ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ১৫ পুলিশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
নোমান ওই এলাকার বিল্লাল জমাদ্দারের ছেলে। নিহতের চাচা লিটন জমাদ্দার ও ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এলাকার ছালাম মেম্বার জানান, গুলিবিদ্ধ তিনজন মারা গেছেন। তবে একজন নিহতের বিষয় পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
রাত ১১টায় সহকারী পুলিশ সুপার মামুনের নেতৃত্বে রাতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সহকারী পুলিশ সুপার মামুন জানান, রাত ৯টায় তিনি ঘটনাস্থলে যান। এসময় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গুলিবিদ্ধ আমিনুরসহ তিনজনকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে ৫ পুলিশ আহত হয়। এদের একজনকে ভোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ছালাম মেম্বার জানান, নির্বাচনী মামলায় পুলিশ হারুন ও মিজান নামে দুই আসামিকে আটক করলে গ্রামবাসীদের সঙ্গে সংর্ঘষ বাধে। সূত্র জানায়, গত ইউপি নির্বাচনে ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল হক মিঠু চৌধুরী বিজয়ী হন। পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মিজান খাঁ। তখন থেকেই এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মিঠু চৌধুরীসহ তার গ্রুপের বিরুদ্ধে গত দেড় মাসে মামলা হয়েছে ১২টি।
এসব ঘটনার জের ধরেই পুলিশ আসামি মিজানকে আটক করে। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পুলিশকে মারধর করে আসামি ছিনিয়ে নেয়। ওই এলাকার পুলিশ ক্যাম্পেও হামলা করে। এক পর্যয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ভোলা থেকে ওসির নেতৃত্বে অতিরিক্তি পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছোড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ